কেউ একজন দৌড়ে পালিয়েছে: গাড়িতে গুলির ঘটনার পর আসিফের
- আপডেট সময় : ১২:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ঘটনার সময় আসিফ আকবর গাড়িতে ছিলেন না। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিশাল সেন্টারের সামনে গাড়িটি পার্ক করা ছিল এবং এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বর্ণনা ও পুলিশের ভাষ্য
পুলিশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশাল সেন্টারের নিচের পার্কিং এলাকায় গাড়িটি রাখা ছিল। ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে এসে গাড়িটি লক্ষ্য করে একটি গুলি ছোড়েন। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার সময় আসিফ আকবর বিশাল সেন্টারের তৃতীয় তলায় তাঁর নিজস্ব কার্যালয়ে ছিলেন। পুলিশ গাড়িটি তল্লাশি করে পেছনের জানালা দিয়ে একটি গুলির কার্তুজ উদ্ধার করেছে। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত এবং এর প্রকৃত উদ্দেশ্য কী, তা নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি আসাদুজ্জামান।
স্ত্রী সালমা আসিফ মিতুর ভাষ্য
শনিবার সকালে আসিফের স্ত্রী সালমা আসিফ মিতু ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, তিনি ওপর থেকে সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাটি দেখেছেন এবং গুলির শব্দও পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসিফ আমাকে বলেছে কে বা কারা তার গাড়িতে গুলি করেছে। গুলির শব্দ শোনার পর নিচ থেকে দারোয়ান ডাকাডাকি করলে আমি নিচে নামি। তখনই দেখি কেউ একজন দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।’ আসিফ আকবর কাউকে সন্দেহ করছেন কি না জানতে চাইলে মিতু বলেন, ‘আমাদের কাছে সন্দেহজনক কাউকে নেই। আমরা এই জীবনে আজ পর্যন্ত কাউকে কখনো সন্দেহ করতে পারিনি। সন্দেহ করার মতো এমন কোনো ঘটনা আসিফের সঙ্গে আগে ঘটেনি। আসিফ সবার সঙ্গে মিলেমিশে চলে এবং সব সময় ন্যায্য কথা বলে। তবে এই ঘটনা অবিশ্বাস্য এবং বিষয়টি নিয়ে আমরা যথেষ্ট চিন্তিত।’
তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।
- হামলাকারীকে শনাক্ত করতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত ও সিএনজি অটোরিকশার চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
- আসিফ আকবর সুস্থ আছেন এবং ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আইনগত সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।
- কার্যালয়ের সামনে বা ভেতরে এমন নিরাপত্তা ঝুঁকি কেন তৈরি হলো, তা নিয়েও পুলিশ স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিচ্ছে।


























