কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বেইজিং এগ্রিমেন্ট মাইলফলক: শিক্ষামন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। সম্প্রতি চীনের সাথে স্বাক্ষরিত ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ এই লক্ষ্য অর্জনে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার বিনিময় ঘটবে, যা কারিগরি শিক্ষাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার গাজীপুরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র সনদ বিতরণের উদ্দেশ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এর মূল লক্ষ্য হলো সর্বস্তরের মানুষের জন্য শিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা। অনেক শিক্ষার্থী নানা প্রতিকূলতায় মাঝপথে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন, তাদের শিক্ষাজীবনে ফিরিয়ে আনা এবং যুগোপযোগী দক্ষতা প্রদান করা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমেই বয়সের সীমাবদ্ধতা জয় করে সাধারণ মানুষ শিক্ষার আলো পাচ্ছেন। বাউবিকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে গড়ে তুলতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া। এছাড়া মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপনে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য নয়জনকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
মূল আলোচনা সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ‘ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং’ বা আইটিভেট-এর শিক্ষা কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করার প্রক্রিয়ায় বাউবিকে আরও যুগোপযোগী করার এই উদ্যোগ কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।























